কারণ তারা আলোকে সহ্য করতে পারে না।**
সুনামগঞ্জে নাচ–গান নিষিদ্ধের ফতোয়া, নারীর চলাফেরায় বাধা, আর সমকামীদের হত্যার হুমকি—এ তিনটি আলাদা ঘটনা নয়।
এগুলো একই অসুখের লক্ষণ:
মৌলবাদীরা বাঁচে ঘৃণায়, আর ঘৃণা ছাড়া তাদের রাজনীতি টিকে না।
তারা জানে—
মানুষ গান গাইলে ভয় ভাঙে
নারী স্বাধীন হলে শাসন টলে
সমকামী মানুষ নিজের পরিচয় স্বীকার করলে তাদের অন্ধকার ভেঙে আলো বের হয়
এই আলোই তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু।
তাই জামায়াত–হেফাজত নাচ–গানকে ‘হারাম’, নারীদের ‘অশ্লীল’, আর LGBTQ+ মানুষকে “হত্যা করা উচিত” বলে ঘোষণা দেয়।
এটা ধর্ম নয়—এটা নির্মম সামাজিক সন্ত্রাস।
কিন্তু সুনামগঞ্জের মানুষ জানে—
বাউলের দেশকে ফতোয়া দিয়ে থামানো যায় না।
সংস্কৃতি হত্যার হুমকি দিয়ে মানবতাকে দমন করা যায় না।
এবং সবচেয়ে বড় কথা—
কারও ভালোবাসা, কারও পরিচয়, কারও শিল্প—মৌলবাদীদের অনুমতির অপেক্ষায় নয়।
জামায়াত–হেফাজত যতই ঘৃণা ছড়াক, এই দেশের উত্তর একটাই:
বাংলাদেশ আলোর দেশ।
অন্ধকার এখানে শেকড় গজাবে না।