nurulbijoy

নাচ–গান কেন ফতোয়া দিয়ে নিষিদ্ধ করতে চায় মৌলবাদীরা: ভয়, অক্ষমতা ও ক্ষমতার নোংরা রাজনীতি

বাংলার মাটিতে হাজার বছর ধরে মানুষ গান গেয়েছে, নেচেছে, উৎসব করেছে। এই আনন্দ, এই সংস্কৃতি—এটাই আমাদের অস্তিত্ব। অথচ আজ কয়েকজন মৌলবাদী, কাগজে-কলমে আলেম সাজার ভান করে, নাচ–গান ‘হারাম’ ঘোষণা করার দুঃসাহস দেখায়!

ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে মৌলবাদীরা—এ শুধু ধর্মের লড়াই নয়, রাজনীতির মাঠ দখলের খেলা

ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে মৌলবাদীরা—এ শুধু ধর্মের লড়াই নয়, রাজনীতির মাঠ দখলের খেলা বাংলাদেশে ভাস্কর্যবিরোধী মৌলবাদীরা যখন রাস্তায় নামে, তখন তারা আসলে ধর্ম রক্ষা করতে নামে না— তারা নামে রাজনৈতিক জায়গা দখল করতে। ভাস্কর্য

ভাস্কর্য কেন হারাম—মৌলবাদী রাজনীতির ইতিহাস, ভয় ও উদ্দেশ্য

সমসাময়িক বাংলাদেশে ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন যেন প্রতি কয়েক বছর পর পরই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। দাবি করা হয়, ভাস্কর্য নাকি ‘হারাম’, নাকি ‘মূর্তি পূজা’। অথচ প্রশ্ন হচ্ছে—আসলে কে এই দাবি করছে, এবং কেন করছে?

নাচ–গান নিষিদ্ধ? যারা আনন্দকে ভয় পায়, তারা মানুষকেই ভয় পায়**

বাংলাদেশের কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠীর আজকাল নতুন শখ— নাচ–গান নিষিদ্ধ করো! মঞ্চ ভেঙে দাও, শিল্পীদের তাড়াও, উৎসব বন্ধ করো! প্রশ্ন হলো— কেন? নাচ–গান তাদের কী ক্ষতি করেছে? 🔥 ১. কারণ নাচ স্বাধীনতার ভাষা,

ফতোয়াবাজীর নামে সমাজ দখলের খেলা বন্ধ করো—এ দেশ মৌলবাদীদের সম্পত্তি নয়

বাংলাদেশে এক শ্রেণির মানুষের আলাদাই ব্যবসা আছে— ফতোয়া তৈরি করে সমাজ চালানো। কারও হাসি মানতে পারে না, নারীর স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না, যুবসমাজের আনন্দ দেখলে চোখ জ্বলে ওঠে, সংস্কৃতি দেখলেই ধর্ম

ব্রেকিং নিউজ: ‘আনন্দবিরোধী প্রজাতন্ত্র’ নামে এক নতুন রাষ্ট্র আবিষ্কৃত!**

সুনামগঞ্জের  সীমানা ঘিরে হঠাৎ করে দেখা গেছে এক অদ্ভুত রাষ্ট্র— নাম “আনন্দবিরোধী প্রজাতন্ত্র”। এই রাষ্ট্রের নাগরিকরা মানুষ নয়, বরং ভয়ে তৈরি এক অদ্ভুত জাতি। তাদের সংবিধানের কয়েকটি ধারার নমুনা নিচে দেওয়া হলো—

আমাকে না পেয়ে আমার প্রকাশককে গ্রেফতার—৮ সেপ্টেম্বরের গ্রেফতার ছিল ভয় দেখানোর আয়োজন, ন্যায়বিচারের নয়

মৌলবাদী মামলা, রাষ্ট্রের নীরবতা, আর এক নিরীহ প্রকাশকের গ্রেফতার—এটি ব্যক্তিগত হামলা নয়, এটি মুক্তচিন্তার ওপর আক্রমণ ৫ সেপ্টেম্বর মৌলবাদীরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করল। মামলাটি স্পষ্টভাবে ছিল আমাকে চুপ করানোর কৌশল— বাকস্বাধীনতাকে আইনি

জামালগঞ্জে আবারও মাথা তুলছে অন্ধকার — এবার কথা বলতে হবে ক্ষিপ্ত স্বরে

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ যেন বারবার একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি দেখছে—মৌলবাদীরা দল বেঁধে উঠে আসে, আর সমাজকে টেনে নিতে চায় মধ্যযুগের গহ্বরে। সত্যি বলতে কী, এর বিরুদ্ধে শান্ত, ভদ্র ভাষায় কথা বলার সময় অনেক আগেই

সুনামগঞ্জে নাচ–গান, নারী স্বাধীনতা, সমকামী মানুষ—সবাইয়ের শত্রু কেন জামায়াত–হেফাজত?

কারণ অন্ধকার কখনও আলোকে সহ্য করতে পারে না।** 🔥 সুনামগঞ্জে আবার শুরু হয়েছে মৌলবাদীদের সেই পুরোনো নাটক— নাচ–গান বন্ধ করো! নারীকে চুপ করাও! সমকামীদের মেরে ফেলো! এই ভাষা ধর্মের নয়—এই ভাষা সন্ত্রাসীদের।

সুনামগঞ্জের ওপর নেমে আসা অন্ধকারেরা —একদিন তারা গানকে ভয় পেয়েছিল, আজ ভয় পায় মানুষের শ্বাসকেও**

সুনামগঞ্জে কিছু লোক আছে— তাদের চোখ সারা দিন অন্ধকার খুঁজে বেড়ায়। আলো দেখলেই চোখে ব্যথা হয়, গান শুনলেই হৃৎপিণ্ডে ধাক্কা লাগে, মানুষ নিজের মতো বাঁচলে তাদের আত্মা টনমনে হয়ে ওঠে। এদের নাম