Blog

**সুনামগঞ্জে কেন নাচ–গান বন্ধ করতে উঠে পড়ে লাগে জামায়াত–হেফাজত?

অন্ধকারের বিরুদ্ধে এই লড়াই এখন আমাদের সবার** বাংলাদেশে নাচ–গান নিষিদ্ধ করার নতুন শোরগোল কিছু না—এটা পুরনো মদ, শুধু বোতলটা বদলেছে। কিন্তু যখন দেখছি সুনামগঞ্জে জামায়াত ও হেফাজত আবারও ফতোয়া–বাজি শুরু করেছে, তখন

সুনামগঞ্জের ‘নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নীতি’:

কেন নাচ–গান, নারী স্বাধীনতা, সমকামী পরিচয় ও নাস্তিকতা তাদের কাছে হুমকি? (একটি মানসিক–সামাজিক বিশ্লেষণ)** বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তিগুলোর আচরণ অনেকেই আবেগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন। কিন্তু গবেষণা বলছে— এই আচরণের পেছনে আছে তিনটি

মৌলবাদীদের আতঙ্কের কারণ খুঁজে পেলাম—তাদের হৃদয়ে ‘রিদম’ নেই!**

মৌলবাদীদের আতঙ্কের কারণ খুঁজে পেলাম—তাদের হৃদয়ে ‘রিদম’ নেই!** মৌলবাদীদের নিয়ে গবেষণা করলে আপনি আবিষ্কার করবেন—এরা এক অনন্য প্রজাতি। পৃথিবীর অন্য সব প্রাণীর কোনো না কোনো তাল–লয় থাকে। এরা শুধু একটাই জিনিসে এলার্জি:

নাচ–গান তাদের চোখে কেন অপরাধ?

কারণ খুব সহজ— যেখানে মানুষ হাসে, সেখানে মৌলবাদ জন্মায় না। তারা নাচ–গান বন্ধ করতে চায়, কারণ— নাচ মানে শরীরের স্বাধীনতা, আর স্বাধীন দেহ দেখলে তাদের পুরনো অনুশাসনগুলো কাঁপতে থাকে। গান মানে কণ্ঠের

মৌলবাদ অন্যান্য ধারণা বা মতবাদকে স্বেচ্ছাচারিতার নিদর্শন বলেই মনে করে।

এই ধর্মীয় মৌলবাদ স্বীকৃতি পাওয়ার পরই একাধিক প্রতিপক্ষ মতবাদের উত্থান ঘটে— যেমন, Scientism, Skepticism, Postmodernism, Existentialism, Pluralism, Liberalism, Secularism প্রভৃতি। যদিও এই সব মতবাদ একই রকম নয় এবং প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে

বহু বিবাহ সওয়াব?—মৌলবাদী ‘ভোগ-বিজ্ঞান একাডেমি’র নতুন গবেষণা

মৌলবাদীরা যখন কথা বলে, তখন মনে হয় যেন কোনো পুরনো রেডিও সেটে বিকৃত সিগনাল ধরা পড়েছে—অর্ধেক কথাই অর্থহীন, আর বাকি অর্ধেক সমাজের জন্য ক্ষতিকর। সর্বশেষ যে ব্রেকিং নিউজ তারা ছড়িয়েছে, তা হলো—“বহু

বাংলাদেশে মৌলবাদীদের সবচেয়ে সহজ কাজ হলো—যা তারা বোঝে না, সেটিকে হারাম ঘোষণা করা।

মৌলবাদীদের ফতোয়াবাজী বন্ধ করতেই হবে বাংলাদেশে মৌলবাদীদের সবচেয়ে সহজ কাজ হলো—যা তারা বোঝে না, সেটিকে হারাম ঘোষণা করা। এভাবে তারা ধর্মকে নয়, মানুষের স্বাধীনতাকেই শৃঙ্খলে বাঁধতে চায়। ফতোয়া তাদের অস্ত্র, আর জনগণের

ফতোয়া হচ্চে ভয় দেখানোর অস্ত্র, ধর্মীয় ব্যাপার নয়….কারণ সমাজকে ভয় দিয়ে নয়—বুঝিয়ে এগিয়ে নিতে হয়**

বাংলাদেশের মানুষের ধর্মবিশ্বাস গভীর, ব্যক্তিগত, কোমল। কিন্তু এই কোমল বিশ্বাসকে যখনই বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হয়, তখনই মঞ্চে আসে একটি কুখ্যাত গোষ্ঠী—ফতোয়াবাজ মৌলবাদী। তাদের কাজ খুব সহজ: যা তারা বোঝে না →

ফতোয়া ধর্ম হয়: ধর্মকে জিম্মি করে মৌলবাদীদের ক্ষমতা দখলের টুল।

বাংলাদেশে এক শ্রেণির মানুষের আলাদাই ব্যবসা আছে— ফতোয়া তৈরি করে সমাজ চালানো। কারও হাসি মানতে পারে না, নারীর স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না, যুবসমাজের আনন্দ দেখলে চোখ জ্বলে ওঠে, সংস্কৃতি দেখলেই ধর্ম

নাগরিক সমাজের নীরবতা উগ্রবাদীদের শক্তি বাড়ায়।

নাগরিক সমাজের নীরবতা উগ্রবাদীদের শক্তি বাড়ায়। নাস্তিকদের হত্যার মতো ঘটনা আমাদেরকে সচেতন করে, যাতে আমরা আর নীরব থাকি না। নাগরিকদের দায়িত্ব হলো প্রতিবাদ করা, সচেতনতা তৈরি করা এবং সমাজে মুক্তচিন্তার পরিবেশ বজায়