ফতোয়াবাজীর কারণে নারীর স্বাধীনতা থেমে যায়। মৌলবাদীদের ফতোয়াবাজী বন্ধ করতেই হবে
বাংলাদেশে মৌলবাদীদের সবচেয়ে সহজ কাজ হলো—যা তারা বোঝে না, সেটিকে হারাম ঘোষণা করা। এভাবে তারা ধর্মকে নয়, মানুষের স্বাধীনতাকেই শৃঙ্খলে বাঁধতে চায়। ফতোয়া তাদের
This website has been created to share personal thoughts, opinions, and perspectives about society with people.
আমার নাম সালামিন আহমেদ। আমি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা গ্রামের বাসিন্দা। আমি সমাজ, মানুষ এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে ও লেখালেখি করতে আগ্রহী।
এই ওয়েবসাইটটি আমার ব্যক্তিগত একটি পরিচয় হিসেবে কাজ করবে, যেখানে আমার কিছু ভাবনা, অভিজ্ঞতা এবং সমাজ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে।
বাংলাদেশে মৌলবাদীদের সবচেয়ে সহজ কাজ হলো—যা তারা বোঝে না, সেটিকে হারাম ঘোষণা করা। এভাবে তারা ধর্মকে নয়, মানুষের স্বাধীনতাকেই শৃঙ্খলে বাঁধতে চায়। ফতোয়া তাদের
বাংলাদেশের সমাজ, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্র কাঠামো আজ এক সূক্ষ্ম কিন্তু গভীর টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে আধুনিকতা, নাগরিক অধিকার, বৈচিত্র্য ও মুক্তচিন্তার দিকে অগ্রসর
মৌলবাদীদের নিয়ে গবেষণা করলে আপনি আবিষ্কার করবেন—এরা এক অনন্য প্রজাতি। পৃথিবীর অন্য সব প্রাণীর কোনো না কোনো তাল–লয় থাকে। এরা শুধু একটাই জিনিসে
কারণ তারা আলোকে সহ্য করতে পারে না।** সুনামগঞ্জে নাচ–গান নিষিদ্ধের ফতোয়া, নারীর চলাফেরায় বাধা, আর সমকামীদের হত্যার হুমকি—এ তিনটি আলাদা ঘটনা নয়। এগুলো একই
অন্ধকারের বিরুদ্ধে এই লড়াই এখন আমাদের সবার** বাংলাদেশে নাচ–গান নিষিদ্ধ করার নতুন শোরগোল কিছু না—এটা পুরনো মদ, শুধু বোতলটা বদলেছে। কিন্তু যখন দেখছি সুনামগঞ্জে
কেন নাচ–গান, নারী স্বাধীনতা, সমকামী পরিচয় ও নাস্তিকতা তাদের কাছে হুমকি? (একটি মানসিক–সামাজিক বিশ্লেষণ)** বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তিগুলোর আচরণ অনেকেই আবেগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন।
মৌলবাদীদের আতঙ্কের কারণ খুঁজে পেলাম—তাদের হৃদয়ে ‘রিদম’ নেই!** মৌলবাদীদের নিয়ে গবেষণা করলে আপনি আবিষ্কার করবেন—এরা এক অনন্য প্রজাতি। পৃথিবীর অন্য সব প্রাণীর কোনো না
কারণ খুব সহজ— যেখানে মানুষ হাসে, সেখানে মৌলবাদ জন্মায় না। তারা নাচ–গান বন্ধ করতে চায়, কারণ— নাচ মানে শরীরের স্বাধীনতা, আর স্বাধীন দেহ দেখলে
এই ধর্মীয় মৌলবাদ স্বীকৃতি পাওয়ার পরই একাধিক প্রতিপক্ষ মতবাদের উত্থান ঘটে— যেমন, Scientism, Skepticism, Postmodernism, Existentialism, Pluralism, Liberalism, Secularism প্রভৃতি। যদিও এই সব মতবাদ
মৌলবাদীরা যখন কথা বলে, তখন মনে হয় যেন কোনো পুরনো রেডিও সেটে বিকৃত সিগনাল ধরা পড়েছে—অর্ধেক কথাই অর্থহীন, আর বাকি অর্ধেক সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
মৌলবাদীদের ফতোয়াবাজী বন্ধ করতেই হবে বাংলাদেশে মৌলবাদীদের সবচেয়ে সহজ কাজ হলো—যা তারা বোঝে না, সেটিকে হারাম ঘোষণা করা। এভাবে তারা ধর্মকে নয়, মানুষের স্বাধীনতাকেই
বাংলাদেশের মানুষের ধর্মবিশ্বাস গভীর, ব্যক্তিগত, কোমল। কিন্তু এই কোমল বিশ্বাসকে যখনই বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হয়, তখনই মঞ্চে আসে একটি কুখ্যাত গোষ্ঠী—ফতোয়াবাজ মৌলবাদী। তাদের
বাংলাদেশে এক শ্রেণির মানুষের আলাদাই ব্যবসা আছে— ফতোয়া তৈরি করে সমাজ চালানো। কারও হাসি মানতে পারে না, নারীর স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না, যুবসমাজের
নাগরিক সমাজের নীরবতা উগ্রবাদীদের শক্তি বাড়ায়। নাস্তিকদের হত্যার মতো ঘটনা আমাদেরকে সচেতন করে, যাতে আমরা আর নীরব থাকি না। নাগরিকদের দায়িত্ব হলো প্রতিবাদ করা,
মৌলবাদীরা যখন বলে “নাচ–গান বন্ধ করতে হবে”, তখন তারা শুধু বিনোদন থামাতে চাইছে না। তারা আসলে থামাতে চাইছে মানুষের স্বাধীনতা, সৃজনশীলতা, চিন্তার শক্তি আর
তোমরা নাচকে ভয় পাও, গানকে ভয় পাও, নারীর স্বাধীনতাকে ভয় পাও, সমকামী ভালোবাসাকে ভয় পাও, নাস্তিকের প্রশ্নকে ভয় পাও— এটাই প্রমাণ তোমরাই দুর্বল। তোমরাই
বাংলার বাতাসে যখনই মৌলবাদীরা মুখ খুলে, তখনই বুঝতে হয় যুক্তি আর মানবিকতা দুটোই বিপদে পড়েছে। তাদের সর্বশেষ রসিকতা—“বহু বিবাহ করলে সওয়াব”—এমন এক আজগুবি দাবি,
বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল মুক্তচিন্তা, মানবাধিকারের এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চেতনাকে ধারণ করে। স্বাধীনতার এই মূলমন্ত্র আমাদের সংস্কৃতির প্রাণ। কিন্তু আজ, স্বাধীনতার এই চেতনা যে