বহু বিবাহ সওয়াবের কাজ?—মৌলবাদীদের ব্যবসা, ধর্ম নয়
মৌলবাদী দরবারগুলোতে নতুন কোনো যুক্তি নেই—পুরোনো পচা কথাই বারবার রঙচঙে করে পরিবেশন করা হয়। তাদের সাম্প্রতিক মুখরতা—“বহু বিবাহ করলে সওয়াব”—এমন এক হাস্যকর বচন, যা
This website has been created to share personal thoughts, opinions, and perspectives about society with people.
আমার নাম সালামিন আহমেদ। আমি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা গ্রামের বাসিন্দা। আমি সমাজ, মানুষ এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে ও লেখালেখি করতে আগ্রহী।
এই ওয়েবসাইটটি আমার ব্যক্তিগত একটি পরিচয় হিসেবে কাজ করবে, যেখানে আমার কিছু ভাবনা, অভিজ্ঞতা এবং সমাজ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে।
মৌলবাদী দরবারগুলোতে নতুন কোনো যুক্তি নেই—পুরোনো পচা কথাই বারবার রঙচঙে করে পরিবেশন করা হয়। তাদের সাম্প্রতিক মুখরতা—“বহু বিবাহ করলে সওয়াব”—এমন এক হাস্যকর বচন, যা
কারণ সমাজকে ভয় দিয়ে নয়—বুঝিয়ে এগিয়ে নিতে হয়** বাংলাদেশের মানুষের ধর্মবিশ্বাস গভীর, ব্যক্তিগত, কোমল। কিন্তু এই কোমল বিশ্বাসকে যখনই বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হয়,
বাংলার মাটিতে হাজার বছর ধরে মানুষ গান গেয়েছে, নেচেছে, উৎসব করেছে। এই আনন্দ, এই সংস্কৃতি—এটাই আমাদের অস্তিত্ব। অথচ আজ কয়েকজন মৌলবাদী, কাগজে-কলমে আলেম সাজার
ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে মৌলবাদীরা—এ শুধু ধর্মের লড়াই নয়, রাজনীতির মাঠ দখলের খেলা বাংলাদেশে ভাস্কর্যবিরোধী মৌলবাদীরা যখন রাস্তায় নামে, তখন তারা আসলে ধর্ম রক্ষা করতে নামে
সমসাময়িক বাংলাদেশে ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন যেন প্রতি কয়েক বছর পর পরই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। দাবি করা হয়, ভাস্কর্য নাকি ‘হারাম’, নাকি ‘মূর্তি পূজা’। অথচ প্রশ্ন
বাংলাদেশের কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠীর আজকাল নতুন শখ— নাচ–গান নিষিদ্ধ করো! মঞ্চ ভেঙে দাও, শিল্পীদের তাড়াও, উৎসব বন্ধ করো! প্রশ্ন হলো— কেন? নাচ–গান তাদের কী
বাংলাদেশে এক শ্রেণির মানুষের আলাদাই ব্যবসা আছে— ফতোয়া তৈরি করে সমাজ চালানো। কারও হাসি মানতে পারে না, নারীর স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না, যুবসমাজের
সুনামগঞ্জের সীমানা ঘিরে হঠাৎ করে দেখা গেছে এক অদ্ভুত রাষ্ট্র— নাম “আনন্দবিরোধী প্রজাতন্ত্র”। এই রাষ্ট্রের নাগরিকরা মানুষ নয়, বরং ভয়ে তৈরি এক অদ্ভুত জাতি।
মৌলবাদী মামলা, রাষ্ট্রের নীরবতা, আর এক নিরীহ প্রকাশকের গ্রেফতার—এটি ব্যক্তিগত হামলা নয়, এটি মুক্তচিন্তার ওপর আক্রমণ ৫ সেপ্টেম্বর মৌলবাদীরা আমার বিরুদ্ধে মামলা করল। মামলাটি
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ যেন বারবার একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি দেখছে—মৌলবাদীরা দল বেঁধে উঠে আসে, আর সমাজকে টেনে নিতে চায় মধ্যযুগের গহ্বরে। সত্যি বলতে কী, এর বিরুদ্ধে
কারণ অন্ধকার কখনও আলোকে সহ্য করতে পারে না।** 🔥 সুনামগঞ্জে আবার শুরু হয়েছে মৌলবাদীদের সেই পুরোনো নাটক— নাচ–গান বন্ধ করো! নারীকে চুপ করাও! সমকামীদের
সুনামগঞ্জে কিছু লোক আছে— তাদের চোখ সারা দিন অন্ধকার খুঁজে বেড়ায়। আলো দেখলেই চোখে ব্যথা হয়, গান শুনলেই হৃৎপিণ্ডে ধাক্কা লাগে, মানুষ নিজের মতো
মৌলবাদীদের প্রকৃত মুখ ঠিক এখানেই উন্মোচিত হয়— তারা বলে, সমকামী মানুষদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই। কল্পনা করুন, ২১শ শতাব্দীর বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে কেউ প্রকাশ্যে ঘোষণা
তোমাদের ভণ্ডামি এখন দেশের সামনে নগ্ন হয়ে গেছে সুনামগঞ্জে যারা নাচ–গান বন্ধ করতে চায়, নারীর স্বাধীনতা সহ্য করতে পারে না, সমকামী মানুষকে হত্যা করতে
মৌলবাদী চক্রগুলোর একটি পুরনো কৌশল হলো ধর্মকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা, যাতে তাদের নিজেদের স্বার্থ, লালসা ও ক্ষমতালিপ্সার বৈধতা তৈরি হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তারা আবার
বাংলাদেশে ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো যেভাবে “ভাস্কর্য হারাম”—এই দাবি সামনে আনে, তা শুধু ধর্মীয় আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।
প্রিয় নিষেধ-প্রেমী মহোদয়গণ, আপনাদের একটি প্রশ্ন আছে— মানুষের কোন অংশটি আপনাদের সবচেয়ে ভয় দেখায়? শরীর, মন, না ভালোবাসা? কারণ আপনারা যা যা নিষিদ্ধ করেন,
মধ্যপ্রাচ্যে পাশ্চাত্যের সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্বজাতীয় সংস্কৃতি ধরে রাখার ও আত্মপরিচয় তুলে ধরার প্রবণতার মধ্যে জাতীয়তাবাদী উপাদান আছে, যার সঙ্গে ইসলামকে এক করে দেখার