পরিচয়, ভালোবাসা ও ব্যক্তিগত মর্যাদা আমি সমকামী, কিন্তু এটাই কি আমার পুরো পরিচয়?
পরিচয়, ভালোবাসা ও ব্যক্তিগত মর্যাদা আমি সমকামী, কিন্তু এটাই কি আমার পুরো পরিচয়? মানুষ আমাকে যখন শুধু “সমকামী” পরিচয়ে দেখতে চায়, তখন আমার খুব
স্বাগতম সালামিন আহমেদ এর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে। এই ওয়েবসাইটটি তৈরি করা হয়েছে নিজের চিন্তা-ভাবনা, মতামত এবং সমাজ সম্পর্কে কিছু ভাবনা মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।
আমার নাম সালামিন আহমেদ। আমি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা গ্রামের বাসিন্দা। আমি সমাজ, মানুষ এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে ও লেখালেখি করতে আগ্রহী।
এই ওয়েবসাইটটি আমার ব্যক্তিগত একটি পরিচয় হিসেবে কাজ করবে, যেখানে আমার কিছু ভাবনা, অভিজ্ঞতা এবং সমাজ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে।
পরিচয়, ভালোবাসা ও ব্যক্তিগত মর্যাদা আমি সমকামী, কিন্তু এটাই কি আমার পুরো পরিচয়? মানুষ আমাকে যখন শুধু “সমকামী” পরিচয়ে দেখতে চায়, তখন আমার খুব
পরিবার, ঘর ও রাষ্ট্রের দায় একজন সমকামী সন্তানের বাবা-মায়ের অপরাধ কী? আমার জীবনের ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কষ্টের জায়গা আমার বাবা-মা। নিজের ওপর হুমকি এলে
ভালোবাসা, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ভালোবাসতে হলে কেন আমাকে লুকিয়ে থাকতে হবে? আমি অনেকবার নিজেকে এই প্রশ্ন করেছি। আমি যাকে ভালোবাসি, তার সঙ্গে দেখা করার
প্রথমে আমাকে বলা হয়েছিল চুপ থাকতে। তারপর ভয় দেখানো হয়েছিল। তারপর আমার ব্যক্তিগত জীবনের ওপর নজরদারি করা হলো। আমার এবং আশিকের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি
কিছুদিন আগেও আমি লিখেছিলাম, “অস্তিত্বের অধিকার বনাম ঘৃণা: সমকামী জীবনে কি নিরাপত্তার কোনো স্থান নেই?” তারপর ২ ও ৩ জুনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর লিখেছিলাম,
এর আগে আমি লিখেছিলাম, “হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না: সমকামী জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় চাই কঠোর আইনি পদক্ষেপ।” এরপর লিখেছিলাম, “অস্তিত্বের অধিকার বনাম ঘৃণা:
বাংলাদেশ আজ এক অদ্ভুত দ্বৈত বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে প্রযুক্তি, শিক্ষা, অর্থনীতি ও বৈশ্বিক যোগাযোগে আমরা এগোচ্ছি; অন্যদিকে স্বাধীন চিন্তা, মতপ্রকাশ এবং
কয়েক দিন আগে আমি লিখেছিলাম, “হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না: সমকামী জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় চাই কঠোর আইনি পদক্ষেপ।” সেই লেখায় আমি একটি খুব
একজন মানুষ কাকে ভালোবাসবে, কার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করবে কিংবা নিজের ব্যক্তিগত জীবন কীভাবে পরিচালনা করবে, সেটি তার জীবনের অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয়। কিন্তু
বাংলাদেশ আজ একটি জটিল বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং প্রযুক্তিগত বিস্তার—এসবের পাশাপাশি সমাজের ভেতরে একটি গভীর সংকট তৈরি হয়েছে: মতপ্রকাশের
বাংলাদেশের জন্মই হয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ থেকে। ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলন, রাজনৈতিক স্বাধিকার আন্দোলন, এবং অবশেষে স্বাধীনতার সংগ্রাম—সবকিছুই এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে একটি শক্তিশালী
আমি ধর্ম ধ্বংস করতে চাই না, আমি মানুষের জীবন রক্ষা করতে চাই। আমি কারও ঈমান কেড়ে নিতে চাই না। আমি কারও প্রার্থনা বন্ধ করতে
বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করার কথা বললেও বাস্তবে কিছু মানুষ জন্মগত পরিচয়ের কারণেই রাষ্ট্র ও সমাজ—দুটোর কাছ থেকেই বৈষম্যের শিকার হন। সমকামী, উভকামী
বাংলাদেশে নারীর অগ্রগতি নিয়ে আমরা প্রায়ই আত্মতৃপ্তির ভাষায় কথা বলি। নারী শিক্ষায় অংশগ্রহণ বেড়েছে, কর্মক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতি আগের তুলনায় দৃশ্যমান, এমনকি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়েও
কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে একজন হিন্দু ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে—এই খবরটি পড়ার পর আমি অনেকক্ষণ চুপ করে বসে ছিলাম। আমি
একটি সমাজতাত্ত্বিক ও মানবাধিকারভিত্তিক বিশ্লেষণ জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ জেলার একটি হাওরবেষ্টিত জনপদ, যার সামাজিক কাঠামো ঐতিহাসিকভাবে সহযোগিতা, সহাবস্থান ও বাস্তববাদী জীবনচর্চার উপর দাঁড়িয়ে ছিল। হাওরের
কিছু মানুষ জীবনে আসে খুব সাধারণভাবে, কিন্তু একসময় সেই মানুষটিই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে অসাধারণ অধ্যায়। আমার জীবনে আশিক ঠিক তেমনই একজন। ২০২৩ সালে
বাংলাদেশে মৌলবাদীদের একটি বিশেষ শিল্প রয়েছে—ফতোয়া তৈরি করা। এটি তাদের পেশা, অস্ত্র, সুযোগ, এবং সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে সুবিধাজনক কৌশল। যা তাদের মানায় না →